রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রহিমকে সিটিএসবিতে বদলির পর, এবার বদলি করা হয়েছে খুলনায়! বরগুনায় সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজির প্রতিবাদে প্রথমে মানববন্ধন, এর পর হামলা! ভারতে ইসির পদত্যাগের দাবীর আন্দোলন ফুঁসে উঠেছে, বিরোধী দলের প্রথম সারির নেতাদের আটক আগামী রমজানে খাদ্যপণ্য সরবরাহে কোন সমস্যা হবেনা: খাদ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১৬৩১ দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের চলছে ব্যাপক সংঘর্ষ, মমতা, অভিজিৎ সহ শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার শেখ হাসিনাকে আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক উন্নয়নে বড় বাধা: মুশফিক তেলাপোকা পার্টির বিক্ষোভকে ঘিরে, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ, ব্যাপক ধরপাকড় আমি গ্রেপ্তারের জন্য প্রস্তুত,ককরোচ পার্টির নেতা অভিজিৎ গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ১ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১৩০০

ফেসবুক পেইজ

ফেসবুক পেইজ

মানসিক অসুস্থতা ঘিরে ভয় ও কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট: মানসিক অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে সমাজে বিরাজমান ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এই গুরুত্ব আরোপ করেন। আজ (৯ বিস্তারিত..

বরগুনায় সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজির প্রতিবাদে প্রথমে মানববন্ধন, এর পর হামলা!

ডেস্ক রিপোর্ট: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম আফরোজের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ (১০ অক্টোবর) শনিবার বেলা ১২টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ চত্বরের ভেতরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল এ হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আফরোজকে উদ্ধার করে প্রথমে পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বিস্তারিত..

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রহিমকে সিটিএসবিতে বদলির পর, এবার বদলি করা হয়েছে খুলনায়!

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর সিএমপির খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিমকে এবার সিটিএসবি থেকে বদলি করা হয়েছে খুলনায়। গতকাল বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে থেকে তার এই বদলির আদেশ বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার বিস্তারিত..

ভারতে ইসির পদত্যাগের দাবীর আন্দোলন ফুঁসে উঠেছে, বিরোধী দলের প্রথম সারির নেতাদের আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও বিস্তারিত..