বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকার অভিযানে গ্রেফতার ৫১৮ খুলশীর বিশেষ অভিযানে চোরাই মোটর সাইকেল ও পুলিশ সদস্য সহ গ্রেফতার ৪ মাগুরায় পৌর যুবদলের আহ্বায়ককে গুলি করে হত্যা সুবিধাভোগী ও হাইব্রিডদের উত্থানের প্রধান টার্গেটে, ১৭ বছর রাজপথের ত্যাগীরা! মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের বাসার অভিযানে মাদক সহ গ্রেফতার ৮৪ জ্বালানি সংকট কাটিয়ে অর্থনীতি স্থিতিশীল হতে ২ বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী ইসলামে হিন্দুধর্মের উৎসব ও আমাদের তরুণ সমাজ গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৫৪৮ সৌদি আরবে নিয়মিত হুতি বিদ্রোহীর হামলায় ঢাকা থেকে ৬১ ফ্লাইট বাতিল

ফেসবুক পেইজ

ফেসবুক পেইজ

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকার অভিযানে গ্রেফতার ৫১৮

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ২৪ ঘণ্টায় ৫১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময়ে ৫৮টি মামলা করা হয়েছে। আজ (২১ অক্টোবর) বুধবার ডিএমপির মিডিয়া সেল থেকে, পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. বিস্তারিত..

মাগুরায় পৌর যুবদলের আহ্বায়ককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট: মাগুরায় মোটরসাইকেলে এসে পৌর যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ (২১ অক্টোবর) বুধবার ভোর ৫টার দিকে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মো. শাকের হোসেন। তিনি পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। শাকের মাগুরা পৌরসভার পারনান্দুয়ালী গ্রামের বেপারীপাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানায়, মাগুরা কেন্দ্রীয় বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং বিস্তারিত..

মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে বড় হারের ধাক্কা সামলে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ নারী হ্যান্ডবল দল। বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মালদ্বীপকে ৩৩–২০ বিস্তারিত..

খুলশীর বিশেষ অভিযানে চোরাই মোটর সাইকেল ও পুলিশ সদস্য সহ গ্রেফতার ৪

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপির) খুলশী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরণ ও ডাকাতি মামলার চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় ছিনতাই হওয়া ১টি এবং ডাকাতির বিস্তারিত..

অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের বাসার অভিযানে মাদক সহ গ্রেফতার ৮৪

ডেস্ক রিপোর্ট: পুলিশ সদর দপ্তরের এডিশনাল ডিআইজি (রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাসায় অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিস্তারিত..

মুক্তি পেয়ে পুরো ভারতবর্ষে চড়িয়ে দেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছে ককরোচ পার্টির নেতা অভিজিৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক ধরপাকড়ের পর পুরো ভারতবর্ষে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা। রোববার বিস্তারিত..

জ্বালানি সংকট কাটিয়ে অর্থনীতি স্থিতিশীল হতে ২ বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, জ্বালানি ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৭০০ কোটি ডলারের অতিরিক্ত অর্থ বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও বিস্তারিত..

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো: মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য। সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে। পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে। নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে। সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও বিস্তারিত..