রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রহিমকে সিটিএসবিতে বদলির পর, এবার বদলি করা হয়েছে খুলনায়! বরগুনায় সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজির প্রতিবাদে প্রথমে মানববন্ধন, এর পর হামলা! ভারতে ইসির পদত্যাগের দাবীর আন্দোলন ফুঁসে উঠেছে, বিরোধী দলের প্রথম সারির নেতাদের আটক আগামী রমজানে খাদ্যপণ্য সরবরাহে কোন সমস্যা হবেনা: খাদ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১৬৩১ দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের চলছে ব্যাপক সংঘর্ষ, মমতা, অভিজিৎ সহ শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার শেখ হাসিনাকে আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক উন্নয়নে বড় বাধা: মুশফিক তেলাপোকা পার্টির বিক্ষোভকে ঘিরে, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ, ব্যাপক ধরপাকড় আমি গ্রেপ্তারের জন্য প্রস্তুত,ককরোচ পার্টির নেতা অভিজিৎ গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ১ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ১৩০০

দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের চলছে ব্যাপক সংঘর্ষ, মমতা, অভিজিৎ সহ শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার

মুক্ত আকাশ ডেস্ক / ৪৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দিল্লিতে পুলিশের পাশাপাশি আধাসামরিক বাহিনীর যুদ্ধকালীন মোতায়েনকে লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ও জাতিসংঘের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক শশী থারুর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, রাত ২টার পর দিল্লিতে ফিরে এমন পরিস্থিতি খুব কমই দেখেছেন।

থারুর বলেন, মানুষের চলাচলের স্বাধীনতা পুরোপুরি কেড়ে নেয়া হয়েছে।’ তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নাগরিকেরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রশ্ন তুলতে না পারেন, সে জন্যই এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ারও সমালোচনা করেছেন তিনি।
তাঁর ভাষায়, এটি সবচেয়ে পশ্চাৎমুখী ও দমনমূলক পদক্ষেপগুলোর একটি। থারুর আরও বলেন, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এড়াতে যে সরকার নিজের রাজধানীকেই দুর্গে পরিণত করে, তারা আসলে মানুষের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

তিনি বলেন, ‘ব্যারিকেড দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ফেরানো যাবে না। জনসাধারণের প্রশ্নের জবাব যত দ্রুত দেয়া হবে, পরিস্থিতি তত দ্রুত শান্ত হবে।’
ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও বামপন্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার থেকেই থমথমে দিল্লি। বিক্ষোভ দমাতে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী দিল্লিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে। শনিবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

এদিন বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছনো মাত্রই আটক করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বকে। আটক হয়েছেন বামপন্থী ছাত্র নেত্রী নেহা বোরা ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও । এ ছাড়া দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও আটক করেছে পুলিশ।

সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবীকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে একাধিক জায়গায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক লিদিয়া পলগ্রিন বলেছেন, দিল্লির রাস্তাজুড়ে পুলিশি তাণ্ডব চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, পুলিশ রাস্তায় যাকে পাচ্ছে, তাকেই ধরে বাস ও পুলিশের ভ্যানে তুলে নিচ্ছে।

পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন। 

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...