রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন ঘটবে এবং তারপরই ভারতে গণতন্ত্রের মেরামত” শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে তিনি তরুণদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত (১০ অক্টোবর) শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে রাহুল লেখেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে বিদায় নিতে হবে। এ সরকারকেও বিদায় নিতে হবে। এর পরই গণতন্ত্র মেরামতের কাজ শুরু হবে।
পোস্টের সঙ্গে তিনি সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে “ইন্ডিয়া” জোটের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া নিজের বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপও যুক্ত করেন।
গত শুক্রবার ওই সেন্ট্রাল হলে জোটের এমপিদের উদ্দেশে রাহুল বলেছিলেন, সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও অনেক গভীর সমস্যা” রয়েছে এবং তার সমাধানে বর্তমান সরকারের পতন প্রয়োজন। তিনি বলেন, এটি এমন বিষয়, যার জন্য লড়াই করা এবং জীবন দেওয়া যায়।
রাহুলের দাবি, গত তিন-চার দিনে বিরোধীরা যে চাপ সৃষ্টি করেছে, তা বজায় রাখতে পারলে সরকার পড়ে যাবে। তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধীদের প্রতিবাদে সরকারের ভিত কেঁপে গেছে এবং সরকার এখন ভীতসন্ত্রস্ত।
দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, সমালোচনায় কংগ্রেস
সরকারের কড়া নিরাপত্তা ও দিল্লিজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা কে সি ভেনুগোপাল। এক্সে তিনি লেখেন, সব ট্রেন বন্ধ, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, গণগ্রেপ্তার চলছে, দিল্লি লকডাউনে পরিণত হয়েছে এবং সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে” এবং এক “একনায়কের” বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অহিংস আন্দোলন ও সত্যাগ্রহকে নির্মমভাবে দমন করা হচ্ছে।
পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...