সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মুক্তি পেয়ে পুরো ভারতবর্ষে চড়িয়ে দেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছে ককরোচ পার্টির নেতা অভিজিৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মারুবেনি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ , দিল্লির রাস্তা থেকে পুলিশ সরিয়ে ইন্টারনেট সেবা চালু করুন গেটাফেকে ৩.০ গোলে হারিয়ে বার্সেলোনার জয় রিয়াদ কিং খালেদ বিমানবন্দরে ইয়ামেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ২ বাংলাদেশি সহ নিহত ১২ সিইসির সাথ মোদি সরকারেরও পতন হবে, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া আহ্বান রাহুল গান্ধীর ট্রাম্পের ওপর ভরসা না করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রহিমকে সিটিএসবিতে বদলির পর, এবার বদলি করা হয়েছে খুলনায়! বরগুনায় সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজির প্রতিবাদে প্রথমে মানববন্ধন, এর পর হামলা!

মুক্তি পেয়ে পুরো ভারতবর্ষে চড়িয়ে দেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছে ককরোচ পার্টির নেতা অভিজিৎ

মুক্ত আকাশ ডেস্ক / ৮২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক ধরপাকড়ের পর পুরো ভারতবর্ষে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা। রোববার মুক্তি পেয়েই আন্দোলন আরও জোরদারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি’র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, লড়াই কেবল শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে।’
এ ছাড়া সিজেপি নেতা সৌরভ দাস বলেন, ‘শুধু দিল্লিতে নয়, সারা দেশে বিক্ষোভ হবে।’ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তিনি।

গতকাল (১০ অক্টোবর) শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই সিজেপির তিন নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকেকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, তাদের আগাম সতর্কতামূলক আটক করা হয়েছিল।

আজ (১১ অক্টোবর) রবিবার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর এক বছরের জন্য শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার শর্তে তাদের মুক্তি দেয়া হয়।

তবে রাঙ্কার অভিযোগ, উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তাদের ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল।

মুক্তির পর সিজেপিপ্রধান অভিজিৎ দীপকে তার দাদির শেষকৃত্যে যোগ দিতে মহারাষ্ট্রের নিজ শহরে গেছেন। পরে এক্সে তিনি লিখেন, ‘বিক্ষোভ করব নাÑএমন কোনো মুচলেকায় সই করিনি। আমরা আবারও রাজপথে নামব।

সিজেপির দাবি, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করা সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকার প্রয়োগকে শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রাঙ্কা অভিযোগ করেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের পরিস্থিতি তৈরি করেছেন নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জ্ঞানেশ কুমার।

বিক্ষোভকারীদের জন্য যন্তর মন্তর খুলে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

সিজেপি নেতাদের দাবি, গত ৭২ ঘণ্টার ঘটনাপ্রবাহ ভারতের ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

রাঙ্কার অভিযোগ, বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার ট্রেন চলাচল বন্ধ করেছে। তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালেও ট্রেন বন্ধ করা হয়নি।’ সৌরভ দাসের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার দেশে জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কর্তৃপক্ষ একটি প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানাতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন। 

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...