শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
ইসলামী ডেস্ক: সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসাবে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মধ্যে জুমআ’র দিনটি হলো সর্বোত্তম। এই দিনে হযরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। আর কেয়ামতও জুমআ’র দিনেই সংঘটিত হবে।
শ্রেষ্ঠ ইবাদতের দিন: এই দিনে জুমআ’র নামাজ আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মুসলিম পুরুষের জন্য ফরজ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সুরা জুমআ’র ৯ নম্বর আয়াতে এই দিনে দ্রুত মসজিদে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।।
দোয়ার কবুল হওয়ার বিশেষ মুহূর্ত (মকবুল সময়): জুমআ’র দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যাতে বান্দা আল্লাহর কাছে যা দোয়া করে, আল্লাহ তা কবুল করেন। হাদিসে এসেছে, আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এই মূল্যবান সময়টি রয়েছে।
সপ্তাহের গুনাহ মাফের সুযোগ: পবিত্র জুমআ’র উদ্দেশ্যে ভালোভাবে গোসল করে, পবিত্রতা অর্জন করে, আগেভাগে মসজিদে গিয়ে খুতবা শোনা এবং নামাজ পড়ার মধ্য দিয়ে বান্দার বিগত সাত দিনের (বা মধ্যবর্তী সময়ের) ছোটখাটো গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
২. শুক্রবারের বিশেষ সুন্নাত ও আমলসমূহ
আপনার ওয়েবসাইটে পাঠকদের সুবিধার্থে জুমআ’র দিনে পালনীয় প্রধান সুন্নাত ও আমলগুলো যুক্ত করতে পারেন:
গোসল করা ও পবিত্রতা অর্জন: জুমআ’র দিন ভালো করে গোসল করা, মিসওয়াক করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ সুন্নাত।
সুগন্ধি ব্যবহার করা: পুরুষদের জন্য সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করা এই দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত।
আগেভাগে মসজিদে যাওয়া: জুমআ’র নামাজের জন্য যত দ্রুত সম্ভব মসজিদে যাওয়া। হাদিস অনুযায়ী, প্রথম দিকে মসজিদে প্রবেশকারী উট কুরবানির সওয়াব পান, এরপরের জন গরু, এরপরের জন ছাগল এবং সবশেষে আসা ব্যক্তি মুরগির সদকার সওয়াব লাভ করেন।
মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা: খুতবা চলাকালীন কোনো কথা না বলে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা ওয়াজিব। খুতবার সময় কথা বললে জুমআ’র সওয়াব নষ্ট হয়ে যায়।
দরুদ পাঠ করা: জুমআ’র দিন ও রাতে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতের। রাসূল (সা.) বলেছেন, “তোমরা জুমআ’র দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো, কারণ তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়। (আবু দাউদ)
সুরা কাহফ তিলাওয়াত: জুমআ’র দিনে সুরা কাহফ তিলাওয়াত করলে দুই জুমআ’র মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য নূর বা আলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
পর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...