শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভোটারদের বাধা, ভয়ভীতি, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ব্যালটে আগাম সিল-স্বাক্ষর ও অর্থ বিতরণের অভিযোগ তুলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করাকে বাস্তবতাবিবর্জিত বলেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার; তিনি এসব ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
আজ (২৯ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, বলপ্রয়োগ ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করাকে বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে নির্বাচনের ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের বক্তব্য জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া, ভোট দেওয়ার আগেই তাঁদের ভোট দেওয়া হয়ে গেছে বলে জানতে পারা, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, নির্বাচনী এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্র না থাকার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা তথ্য পেয়েছেন। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় তাঁরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
তিনি নির্বাচন কমিশন, ঠাকুরগাঁওয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অবশিষ্ট সময়ের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নির্বাচনের আগে তাঁদের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নয় দফা লিখিত অভিযোগ ও তিনটি দাবি পেশ করেছিল। পরবর্তী সময়ে ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকেও নির্বাচন কমিশনের কাছে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। কিন্তু এসব অভিযোগের কার্যকর প্রতিকার দৃশ্যমান হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাইরুজ ইসলামের বিরুদ্ধে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তোলা হলেও তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়নি। নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি জানানো হয়েছিল।
পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...